পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর (P-Type Semiconductor)

পিওর সিলিকন বা জার্মেনিয়াম পরমাণুর সাথে একটি ত্রি-যোজী পরমাণু অপদ্রব্য বা ভেজাল হিসেবে যুক্ত করলে তার তিনটি ভ্যালেন্স ইলেকট্রন নিকটবর্তী তিনটি সিলিকনের ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সাথে শেয়ারিং এর মাধ্যমে কো-ভ্যালেন্ট বন্ড সৃষ্টি করে। কিন্তু তার যোজ্যতা ইলেকট্রনের ঘাটতি থাকায় চতুর্থ সিলিকনটির সাথে বন্ধন তৈরি করতে পারে না। ফলে একটি ফাঁকা স্থান বা হোলের সৃষ্টি হয়।

এভাবে প্রতিটি ত্রি-যোজী পরমাণু মেশানোর ফলে একটি করে হোল সৃষ্টি হয়। আর এই হোল পজেটিভ চার্জ বহন করে বলে উৎপাদিত বা গঠিত নতুন সেমিকন্ডাক্টরকে বলা হয় পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর। অধিক ডোপিং এর ফলে অধিক হোল উৎপন্ন হয়। এজন্য পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের মেজোরিটি চার্জ ক্যারিয়ার ইলেকট্রন। ত্রি-যোজী পরমাণুকে গ্রহীতা পরমাণুও বলা হয়, কারণ রিকম্বাইনেশনের সময় প্রতিটি হোল একটি করে ইলেকট্রন গ্রহণ করে। এরকম গ্রহীতা পরমাণু হল অ্যালুমিনিয়াম, বোরন এবং গেলিয়াম।