মাতৃভাষা বাংলায় ট্রিপল ই ইঞ্জিনিয়ারিং
Search
Close this search box.

জুলের সূত্র

১৮৪১ সালে ইংরেজ বিজ্ঞানী ডঃ জেমস প্রেস্কট জুল তাপ সম্পর্কিত একটি সূত্র উদ্ভাবন করেন, যা জুলের সূত্র নামে পরিচিত হয়।

যদি তাপকে H, কারেন্টকে I, রেজিস্ট্যান্সকে R এবং সময় কে t দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তবে গানিতিক ভাবে লেখা যায়ঃ 

  • ১. H α I2, যখন R এবং t ধ্রুব
  • ২. H α R, যখন I এবং t ধ্রুব
  • ৩. H α t, যখন I এবং R ধ্রুব

\(\begin{align*} &\text{অতএব, }&H & \propto I^2Rt\\ & \text{বা, }&H & =\frac{I^2RT}{J}\\ & \text{এখনে, }& J & = \text{4200 জুল/কিলো ক্যালোরি মেকানিক্যাল ইকুভেলেন্ট অফ হিট (সমানুপাতিক ধ্রুবক)}\\ \end{align*}\)

আপনি আরো পড়তে পারেন

ফ্যারাডের ইলেকট্রোলাইসিস সূত্র

বিখ্যাত বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে ইলেকট্রোলাইসিসের দুটি সূত্র উদ্ভাবন করেন। প্রথম সূত্র: ইলেকট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রোডের উপর জমা হওয়া পদার্থের পরিমাণ, দ্রবণ বা ইলেকট্রোলাইটের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত

থেভেনিন থিউরম

ই.এম.এফ. এর একাধিক উৎস এবং রেজিস্ট্যান্স সমন্বয়ে গঠিত একটি জটিল নেটওয়ার্কের দুটি বিন্দুতে সংযুক্ত একটি লোড রেজিস্ট্যান্সের কারেন্ট একই হবে, যদি লোডটি ই.এম.এফ. এর একটি

সুপার পজিশন থিউরম

কোন লিনিয়ার বাইলেটারাল নেটওয়ার্কে একটি বিন্দুতে প্রবাহিত কারেন্ট বা দুটি বিন্দুতে ই.এম.এফ. এর একাধিক উৎসের কারণে ঐ বিন্দু বা বিন্দুগুলোতে প্রবাহিত আলাদা আলাদা কারেন্ট সমুহের

কারশফের সূত্র

কারশফের কারেন্ট সূত্র (Kirchhoff’s Current Law): একটি সার্কিটের কোন বিন্দুতে মিলিত কারেন্ট সমুহের বীজগাণিতিক যোগফল সমান। অথবা একটি সার্কিটের কোন বিন্দুতে আগত কারেন্ট ও নির্গত